‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো–
A. অন্ত্যমিল আছে
B. অন্ত্যমিল নেই
C. চরণের প্রথমে মিল থাকে
D. বিশ মাত্রার পর্ব থাকে
সঠিক উত্তরঃ
B.
অন্ত্যমিল নেই
Explanation: ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse। অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
Related Questions (Any University/Year)
- বিশ্বাষঘতকতা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে ঘৃনা প্রকাশিত হয়েছে কোন কবিতায়?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাংশটুকু 'মেঘনাদবধ' কাব্যের কোন সর্গ হতে সংকলিত?
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষাকরার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় লতিফ। দেশকে স্বাধীনকরে তবেই ঘরে ফিরবে এই প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধ করে যায়লতিফ। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতারদ্বারপ্রান্তে ঠিক সে সময় উজিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্পে,অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল লতিফরা। তথ্যটি রাজাকারনিজামুদ্দীন হানাদার বাহিনীকে জানিয়ে দিলে পাকিস্তানিবাহিনীর অতর্কিত হামলায় লতিফরা শহিদ হয় ।উদ্দীপকের নিজামুদ্দীন 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতাংশের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় 'অরিন্দম' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছে করে কেন ?
- মেঘনাদের প্রশ্নবানে বিদ্ধ হয়ে বিভীষণ কিভাবে উত্তর দেয়?
- হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তুলনামূলক আলোচনা করো।
- পরশুরামের অস্ত্র কী?
- "স্বধর্ম যদি গুণহীনও হয়তবু তা উত্তমরূপে অনুষ্ঠিত পরধর্মের চেয়ে শ্রেয়;স্বধর্মে নিধনও ভালো, কিন্তু পরধর্ম ভয়াবহ।"উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বক্তব্যের কী মিল পাওয়া যায় লিখ।
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' অংশে প্রতি চরণে মাত্রাবিন্যাস কত?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’-
- ‘জীমূতেন্দ্র' কীসের গর্জন?
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রুপায়ন?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে’ কত দিনের বর্ণিত আছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের মায়ের নাম কী?
- বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক মহাকাব্য কে রচনা করেন?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। এতে দখলদার পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল এ দেশীয় দোসর ঘরের শত্রু রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী। যদিও যুদ্ধের নীতিতে নিরস্ত্র মানুষ হত্যা কাপুরুষোচিত।উদ্দীপকে বর্ণিত রাজাকার-আল-বদর বাহিনী এবং কবিতায় বর্ণিত বিভীষণের ভূমিকার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের "বঙ্গভাষা" কোন শ্রেণির কবিতা?