যে অগ্র পশ্চাৎ না ভেবে কাজ করে’-তাকে কী বলে?
A. অগ্রদানী
B. বর্ণচোরা
C. সব্যসাচী
D. অবিমৃশ্যকারী
E. সর্বজ্ঞ
সঠিক উত্তরঃ
D.
অবিমৃশ্যকারী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কলেজ থেকে ঘরে ফেরার পথে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যেপড়ে যায় মাহমুদ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় সেদিনথেকেই সে হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী। উদ্দীপকের মাহমুদ 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রেরসাথে তুলনীয়?
- "রেইনকোট " গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
- নূরুল হুদার নিকট কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- কোনটি অশুদ্ধ?
- বর্গি এল খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সঙ্গে জোরেলড়ে মুক্তি সেনাতাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।উদ্দীপকটিতে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক?
- ঢাকার ছয় জায়গায় গ্রেনেড ফেটেছে, আমরা তো সাত-আট দিন আগে এরকম বোমা ফাটার কথা শুনেছিলাম, কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করিনি। আমার সারা শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল। ব্যাপারটা তাহলে সত্যি? সত্যি সত্যি তাহলে ঢাকার আনাচে-কানাচে মুক্তিফৌজের গেরিলারা প্রতিঘাতের ছোটো ছোটো স্ফুলিঙ্গ জ্বালাতে শুরু করেছে? এতদিন জানতাম বর্ডারঘেঁষা অঞ্চলগুলোতেই গেরিলা তৎপরতা। এখন তাহলে খোদ ঢাকাতেও?"মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিঘাতের ছোটো ছোটো সস্ফুলিঙ্গ একসময় দাবানলে রূপ নেয়।"-উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।'উদ্দীপকটিতে 'রেইনকোট' গল্পের আংশিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- রেইনকোট গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?
- কোনটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে?
- 'ধাঁ করে একটি ট্রাক যাচ্ছে ছুটে, আরোহী ক'জনচোখ বাঁধা, হাত বাঁধা আবছা মানুষপাশে রাইফেলধারী পাঞ্জাবি সৈনিক।ছাত্র নই, মুক্তি সেনা নই কোনোও, তবুহঠাৎ হ্যান্ডস আপ বলেস্টেনগান হাতে আর প্রশ্ন দেয় ছুড়ে ঘাড় ধরে-বাঙ্গালিহো তুম?'উদ্দীপকে মিলিটারিদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের ছবি যেন 'রেইনকোট' গল্পের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
- "চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- 'আব্বু ছোটমামা হয়েছে' এ উক্তিতে প্রফেসর চমকে উঠে কেন?
- 'সায়র' শব্দটির অর্থ কী ?
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণের সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।"- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- কাদের সাথে নুরুল হুদার আঁতাত আছে?
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা–
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- মিলিটারির চাবুকের আঘাত নুরুল হুদার কাছে কীবলে মনে হয়?