. 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন বিষয়টি
প্রাধান্য পেয়েছে?
A.
প্রকৃতির প্রতি মানবমনের বিরূপতা
B.
মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-কষ্ট
C.
প্রকৃতির প্রতি কবিমনের ভাবান্তর
D.
মানবমন ও প্রকৃতির যোগসাদৃশ্য
সঠিক উত্তরঃ
D.
মানবমন ও প্রকৃতির যোগসাদৃশ্য
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আজ কবিতা উৎসব। দেশের প্রধান কবি হাসান বশির অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। চারিদিকে হৈ হৈ রব। এর মধ্যে খবর এলো হাসান বশিরের অতি আদরের এক নাতনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। আয়োজকগণ অনুষ্ঠান স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসান বশির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, আমার নাতনি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ায় আমি গভীরভাবে শোকাহত । কিন্তু আমি চাই অনুষ্ঠানটি চলুক। উদ্দীপকের আয়োজকগণ 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কার সাথে তুল্য?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কাকে ব্যথা দিয়েছেন?
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা?
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'উদ্দীপকের সঙ্গে কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে কীভাবে? উপস্থাপন করো।
- 'অলখ' শব্দের অর্থ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- 'মায়া কাজল' কোন জাতীয় রচনা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।উদ্দীপকের কবিতাংশটুকু সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্র এবং উদ্দীপকের ঋতুরাজের রূপচিত্র একই অর্থে সমার্থক- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?'- চরণটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার আগমনী গানের কথা বলা হয়েছে?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।