নাটক শব্দের উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
A. নৃ
B. নট্
C. নাট্
D. ট্
সঠিক উত্তরঃ
B.
নট্
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'পতঞ্জলি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- পরস্পর দুই বর্ণের মিলনকে কি বলে?
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- নিচের কোন বিষয়ের সাথে মানব-কল্যাণের গভীরসম্পর্ক রয়েছে?মর্যাদাবোধপ্রচুর ধন-সম্পদমানবিক চেতনার বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?
- প্রতিটি মানুষকে কেমন হতে হবে?
- কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন?
- ‘জ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণ টি কোন বর্ণের মিলনে গঠিত?
- 'লড়াই' মূলত কোন শব্দ ?
- মানব-কল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানবকল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্ৰদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- লেখকের মতে 'মানব-কল্যাণ' বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা করো।
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠেবে? ব্যাখ্যা করো।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন দিতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাব ধারণ করেছে-