কিভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
A. জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে
B. কঠোর তপস্যার মাধ্যমে
C. ভুলের মধ্য দিয়ে
D. সত্যকে হৃদয়ে লালন করে
সঠিক উত্তরঃ
C.
ভুলের মধ্য দিয়ে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসেপ্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বইআমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে। উদ্দীপকের নিজ পায়ে দাঁড়ানোর জন্য 'আমার পথ'-এ কোন দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
- নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার ’গাহি সাম্যের গান’ চরনটির পরবর্তী চরণ হচ্ছে-
- "নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষায়, পুরে কি আশা” উক্তিটি কার?
- শ্যামসংগীত রচনা করছেন কে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে কী তৈরি হয়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের 'রজত জয়ন্তী'র আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়ার মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।'মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।উদ্দীপকের রেবেকা সুলতানার 'সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- শফিক চৌধুরী সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসরগ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন "পরোপকার" নামে সেবা-সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। অনেকে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন, আবার নিন্দা এবং কটূক্তি করতেও ছাড়েন না কেউ কেউ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন-মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।"উদ্দীপকের কবিতাংশের অনুভূতি চেতনায় ধারণ করে আলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- নিচের কোনটি কাব্য নয়?
- দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে কীসের প্রয়োজন?
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।উদ্দীপকের সুভাষ চরিত্রের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সংগতিপূর্ণ বিষয়ের যৌক্তিক রূপ তুলে ধরো।
- 'বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।' কে বলেছেন ?
- 'আমার আমি সে কত অতল অসীম,'আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম'।উদ্দীপকের মর্মবাণীটি কীভাবে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস গল্প-